ব্লগিং ওয়েবসাইট এ নিশ সিলেক্ট করার ৫ টি উপায় Best in 2022

ব্লগিং ওয়েবসাইট এ নিশ সিলেক্ট করার ৫ টি উপায়

বর্তমান সময়ে অনলাইনে আয় করার জন্য গুগল এডসেন্স ছাড়াও আরও বেশ কিছু অ্যাডস নেটওয়ার্ক চালু রয়েছে।  তবে যেকোনো এক নেটওয়ার্ক থেকে অনলাইন থেকে ভালো উপার্জন করার জন্য অবশ্যই অনেক ভিজিটর থাকতে হবে। গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রভাল এবং ইজুয়িক অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রভাল সহ আরো বেশ কিছু নেটওয়ার্ক রয়েছে।

আজকের আর্টিকেলে আমি নিশ সিলেক্ট করার ৫ টি উপায় বলার চেষ্টা করব। আশাকরি আর্টিকেল শেষে আপনি বুঝতে পারবেন কেন আপনি ভালো নিশ সিলেক্ট করবেন এবং কিভাবে সেই নিশটি বাছাই করবেন।

 

১.  ভিজিটর বেশি আসে এমন বাছাই করতে হবে।

২.  সমসাময়িক বিষয়গুলোর ওপর লেখা যায় এমন নির্বাচন করতে হবে।

৩.  কিওয়ার্ড রিসার্চ করার মাধ্যমে কম্পিটিশন চেক করতে হবে। 

৪.  কোন দেশ টার্গেট করে ওয়েবসাইট করবেন সেটি নির্বাচন করতে হবে।

৫. কোন বিষয় সম্পর্কে আপনি ভাল জানেন সেটি দেখতে হবে। 

অপরের পাঁচটি বিষয় ছাড়াও বেশকিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো আপনি বেছে নিশ সিলেক্ট করতে পারবেন। একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য অবশ্যই আপনাকে বেশ কিছু বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে। আমি এখানে মাত্র পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করার চেষ্টা করেছি। নিচে এই পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে সামান্য বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা করব।

১.  ভিজিটর বেশি আসে এমন বাছাই করতে হবে

আপনি এমন একটি নিশ বাছাই করলেন যেখানে বেশি ভিজিটর আসে না। এ ধরনের নিজ বাসায় করলে আপনি ব্লগিং ওয়েবসাইট  এর সফলতা পেতে অনেকটাই কষ্ট সহ্য করতে হবে। অবশ্যই একটি বিষয় সম্পর্কে লেখার আগে একটি বিষয় সম্পর্কে ব্লগ সাইট তৈরি করার আগে আপনি সেই বিষয়টি সম্পর্কে রিসার্চ করে নিবেন। 

প্রয়োজনে গুগল এবং ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো রিচার্জ করার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক সিলেক্ট করে নিতে পারেন। কিওয়ার্ড রিসার্চ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি নিস বাছাই করার ক্ষেত্রে। বর্তমান সময়ে ওয়েবসাইটের ভিজিটর গুলোর জন্য আপনাকে অবশ্যই বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয়ের উপর রিচার্জ করতে হবে। এরমধ্যে গুগোল কীওয়ার্ড প্লানার অনেক তথ্য দিয়ে থাকে। গুগল ক্রোমে বিভিন্ন ধরনের এক্সটেনশন ব্যবহার করা যায় এগুলো নির্বাচন করার জন্য।

ব্লগিং ওয়েবসাইট এ নিশ সিলেক্ট

২.  সমসাময়িক বিষয়গুলোর ওপর লেখা যায় এমন নির্বাচন করতে হবে

সমসাময়িক বিষয় বলতে আমি যেই জিনিসটা বুঝানোর চেষ্টা করেছি সেটি হল, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হয় কোন বিষয়গুলোর ওপর। সেই বিষয়গুলো আপনাকে নজর রাখতে হবে। গুগলের বিভিন্ন ধরনের টুলস আছে যেখান থেকে আপনি এ সম্পর্কে ভালো ধারণা নিতে পারবেন।

বিভিন্ন সাইট গুলো থেকে এধরনের সার্ভিসগুলো প্রোভাইড করা হয়ে থাকে। আপনি সে সমস্ত সার্ভিস থেকে অবশ্যই যোগাযোগ করে তথ্য নিতে পারবেন। আপনি যদি আপনার ব্লগ সাইট তৈরি করার আগে সমসাময়িক বিষয়গুলোর ওপর রিসার্চ করে ওয়েবসাইট তৈরি করেন। তাহলেও শুরুর দিক থেকেই অনেক বেশি ভিজিটর পেতে পারেন। 

আমি উপরের দুইটি পয়েন্টগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ সময় ভিজিটর কথা। এই জন্যই বলছি যে, একটি ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য শুরুতেই ভিজিটর অনেক গুরুত্বপূর্ণ গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল সহ অন্যান্য অ্যাড নেটওয়ার্কের জন্য। আপনার ওয়েবসাইটে যদি বেশ কিছু ভিজিটর প্রতিদিন অর্গানিক ভাবে আসতে থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল পেতে পারবেন। এবং বাইরের কোন এড প্রোভাইডার থেকেও সার্ভিস নিতে পারবেন যেখান থেকে আপনি প্রতিমাসে ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন এই এড নেটওয়ার্ক গুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে

 

৩.  কিওয়ার্ড রিসার্চ করার মাধ্যমে কম্পিটিশন চেক করতে হবে

কিওয়ার্ড রিসার্চ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য। যে সমস্ত এসইও এক্সপার্ট আছেন তারা অবশ্যই কিওয়ার্ড রিসার্চ করার মাধ্যমে তাদের ওয়েবসাইটগুলোকে গুগলের র‌্যাংকিং এ নিয়ে আসেন। গুগল অ্যাডসেন্স রান করানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটে বেশকিছু কিওয়ার্ড গুগলের ফাস্ট পেজ র‌্যাংক করাতে হবে। 

এবং আপনার ওয়েবসাইটে প্রতিমাসে ট্রাফিক বেশ কিছু পরিমাণে নিয়ে আসতে হবে। এভাবে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে যদি নিয়মিত কিওয়ার্ড রিসার্চ এর মাধ্যমে আর্টিকেল প্রোভাইড করতে থাকেন। 

তাহলে আপনি অবশ্যই বেশ কিছু ভিজিটর অর্গানিক ভাবে পেতে পারবেন।  আমি ব্যক্তিগতভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য গুগলের বেশ কিছু টুলস ব্যবহার করে থাকি। বাইরের দেশের বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যেগুলোতে এ সমস্ত রিচার্জ গুলো আপডেট তথ্য দিয়ে থাকে আমি সেগুলো দেখতে থাকি।

 

৪.  কোন দেশ টার্গেট করে ওয়েবসাইট করবেন সেটি নির্বাচন করতে হবে

আপনি যেকোন ভাষার ওপর ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। তবে আপনি যে টপিকের ওপর ওয়েবসাইট তৈরি করবেন সেই টপিকটা কোন দেশ রিলেটেড করবেন। সে বিষয়টি অবশ্যই জেনে নিবেন। কারন দেশভেদে গুগলের সার্চ অনেক পার্থক্য হয়ে থাকে আপনি যদি আমেরিকার কোন দেশ বা আমেরিকায় র‌্যাংক করবে এরকম ধরনের টপিক নিয়ে আপনার ব্লগিং ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান। 

তাহলে অবশ্যই আপনাকে সেই দেশের গুগল সার্চ ভলিয়ম থেকে রিচার্স করতে হবে। আবার আপনি যদি বাংলাদেশ বা ইন্ডিয়া এ সমস্ত দেশের বাংলা ভাষার ওপর কোন ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান। তাহলে অবশ্যই আপনাকে সে সমস্ত দেশের উপর রিচার্স করতে হবে। বর্তমান সময়ে রিচার্স করার জন্য গুগোল সবচাইতে বেস্ট অপশন হলো, আপনি বিভিন্ন টপিকের ওপর সার্চ করে সে সমস্ত টপিক থেকে কিভাবে সার্চ করে বের করে নিয়ে সে টপিকগুলোর ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। 

আমার শুরুর ওয়েবসাইটটি বাংলাদেশ এবং ইন্ডিয়ার ওপর টার্গেট করে তৈরি করা হয়েছিল। বর্তমান সময়ে সেই সাইটে অর্গানিক ভাবে প্রতিদিন বেশকিছু ভিজিটর আসে। আপনিও চাইলে শুরুর দিকে সে সমস্ত লোক কম্পিটিশন কিওয়ার্ড বাদশাহী করে সেই সমস্ত টপিকের ওপর ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন।

ব্লগিং ওয়েবসাইট এ নিশ সিলেক্ট

৫. কোন বিষয় সম্পর্কে আপনি ভাল জানেন সেটি দেখতে হবে

আপনি যদি বাংলায় ভালো লিখতে পারেন তাহলে আমার পরামর্শ থাকবে। আপনি বাংলাতেই আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করেন। গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রভাল এর জন্য ইংরেজি ভাষায় অনেক বেশি জরুরী বিষয়টি এরকম নয়। আপনি যেকোনো ভাষায় ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। তবে গুগল অ্যাডসেন্স প্রমাণের জন্য শুরুর দিকে আপনার কনটেন্ট অবশ্যই ইউনিক হতে হবে। 

সে দিক থেকে বিবেচনা করলে বোঝা যায় যে, অবশ্যই আপনাকে যে ভাষায় দক্ষ এবং যেই ভাষায় আপনি বেশি লিখতে পারবেন। ভাল তথ্য সরবরাহ করতে পারবেন, সেই ভাষায় এবং সেই ধরনের টপিকের উপর আপনি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরী করে থাকবেন। এতে করে আপনি অন্যান্যদের চাইতে অনেক বেশি তথ্য দিয়ে থাকতে পারবেন। কারণ সেই ভাষায় এবং সেই টপিকের উপর আপনি অন্যদের থেকে দক্ষ।

উপরের পাঁচটি বিষয় ছাড়াও বেশকিছু বিষয় রয়েছে ওয়েবসাইটে নির্বাচনের করার ক্ষেত্রে। আমি মাত্র পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করার চেষ্টা করেছি আশাকরি পাঁচটি বিষয় ছাড়াও আপনাদের নিজেদের অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করবেন। বর্তমান সময়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। 

এবং সমসাময়িক টপিকের ওপর ওয়েবসাইট তৈরী করাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বর্তমানে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ মানুষের মৌলিক বিষয়গুলোর ওপর ওয়েবসাইট তৈরি করলে বেশ কিছু ভিজিটর প্রতিদিন আসতে থাকে। 

তবে অনলাইনে আয় এবং ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে বেশ কিছু ওয়েবসাইট রিসার্চ করে দেখা গেছে, যে সমস্ত সাইটগুলোতে অনেক বেশি ভিজিটর এসে থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি অনলাইন নিয়ে বা ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে আয় করা যায় সে সমস্ত বিষয় গুলোর উপরে। 

এসব বিষয় নিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। উপরের ৫ টি মন্তব্য মধ্যে কোন একটি মন্তব্য আপনার পছন্দ হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। এছাড়াও আরো কিছু বিষয় আপনার জানা থাকলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার করতে পারেন। অনেক ধন্যবাদ মূল্যবান সময় নিয়ে আর্টিকেলটি পড়ার জন্য। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.